Uncategorized

Kurulus Osman episode 130 Bangla Subtitles

Kurulus Osman episode 130 Bangla Subtitles


রিভিউ

কুরুলুস ওসমান এই পর্বের শুরুতেই ছিল চমক। ওসমান বে এবং সুলতান মাসুদ যখন একসাথে সুলতান আলাউদ্দিন ও ইসমিহান সুলতান কে পরাজিত করে। ঠিক তখন কমান্ডার নাইমান সুলতানের প্রাসাদে প্রবেশ করে। সুলতান আলাউদ্দিনের নির্দেশে নাইমান ওসমান বে ও সুলতান মাসুদকে বন্দী করে জেলখানায় রেখে দেয়৷ সুলতান মাসুদ ও ওসমান বেকে যখন এক জেলে রাখা হয় তখন তারা সামনের দিনের পরিকল্পনা করতে থাকে।

এটা দেখে অন্য আল্পরা প্রশ্ন করে কিভাবে তারা জেল থেকে বের হবে? তখন ওসমান বে বলে গাজান খান এর বাহিনী আসবে। তুরগুত বে এবং শায়েখ এদেব আলী তাকে একটি বাহিনী পাঠাতে অনুরোধ করে। ওসমান বেকে মারতে চায় ইসমিহান। সে বাইন্দার কে ও এমন নিকৃষ্ট শাস্তি দিতে চায় যে গাজান খান এর মেয়ে ইসেবেলা বালা হাতুন এর সাথে মিলিত হয়ে সুলতানের প্রাসাদে কোনিয়া আসে। ওসমান বে একসাথে টেকফুর ভ্যালেন্স ও মোঙ্গল বাহিনীর কমান্ডার নাইমান কে প্রতিহত করতে থাকে।

বাইন্দার বে বিগত পর্বগুলোতে খুবই বিরক্তিকর আচরণ করেছিল। যা কোন দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ পারে নাই। কিন্তু বিগত ২টি পর্বে বাইন্দার বের অভিনয় সকল দর্শকের মন ছুয়ে গেছে। কারন কঠিন মূহুর্তে বাইন্দার বে ওসমান বের পাশে থেকে তাকে সহযোগিতা করেছে। এমনকি বাইন্দার বের একটি কথা এখন খুবই জনপ্রিয়। উক্তিটি হলো “মানুষ খুবই ভীতু হয়ে থাকে কিন্তু যখন মানুষ হক খুজে পায় সে তখন সাহসী হয়ে যায়”।


কারন মানুষের মরন একবার হবে। তাই বারবার মরনের ভয় না পেয়ে একবার মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নেয়া উত্তম। টেকফুর ভ্যালেন্স যখন জানতে পারলো ওসমান বে সুলতান মাসুদ কে ক্ষমতায় বসাতে কোনিয়া গেছে।তখন সে নতুন করে একটি পরিকল্পনা করলো। সে ওসমান বের অধীনে থাকা প্রতিটা বসতিতে হামলার জন্য ছক কষলো। সে তার অধীনে থাকা সকল সৈন্য ও কমান্ডার দের বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে বিভিন্ন বসতিতে আক্রমণের উদ্দেশ্য পাঠায়।
প্রথমে ওকতেম বের বসতিতে হামলা চালায়। এখানে হামলা চালিয়ে সকল মানুষদের হত্যা করতে থাকে। বেঙ্গী হাতুন ও আকতেমুর সহ সকল সৈন্য প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও তারা তাদের সামনে টিকে থাকতে পারে নাই। একসময়ে আকতেমুর কে জখম করে মাটিতে ফেলে দেয়। একই সাথে বেঙ্গী হাতুন ও মাটিতে পড়ে যায়। বাচ্চা শিশু সহ আল চেচিক একটি ঘরে ঢুকে আশ্রয় নিলে সেখানে টেকফুরের সৈন্যরা আগুন লাগিয়ে দেয়।

এদিকে ইনেশিহারে মালহুন হাতুন এর কাছে এই খবর পৌছে দেয় এক সৈন্য। তখন মালহুন হাতুন দ্রুত সৈন্যদের একটি দল নিয়ে ওকতেম বের বসতিতে উপস্থিত হন। সেখানে গিয়ে প্রথমে আলচেচিক কে আগুন থেকে বের করেন। তারপর আহতদের চিকিৎসা ও সেবা করতে থাকে।


এদিকে ওসমান বের ফাসী কার্যকর হওয়ার পূর্ব মূহুর্তে বালা হাতুন এর সাথে গাজান খান এর আধ্যত্নিক মেয়ে ইসেবেলা এসে উপস্থিত হয়। তারপর সে ওসমান বের ফাঁসি আটকিয়ে দেয়। ওসমান বে ও সুলতান মাসুদ মুক্ত হলে নাইমান ও ইসমিহান সুলতান পালিয়ে যায়। কোনিয়ার রাজপ্রাসাদে পুনরায় সুলতান মাসুদ সিংহাসন বসে।
করে।

সুলতান আলাউদ্দিন কে পরাজিত করে সুলতান মাসুদ সিংহাসনে বসার পরে গাজান হান তার কমান্ডারের মাধ্যমে কোনিয়া এবং তার আশেপাশের এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে উদ্দেগ গ্রহন করে। এর অংশ হিসাব ইনেশিহারে বালা হাতুন ও মালহুন হাতুন থেকে সকল খোজ নিতে শুরু করে। গাজান হান এই এলাকায় নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা শুরু করে। এতে করে বালা হাতুন ও মালহুন হাতুনের মনে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। কারন এতো দিন সীমান্ত এলাকায় একক আধিপত্য ছিলো ওসমান বের।

সুলতান মাসুদের সাথে ওসমান বে একান্তে সাক্ষাৎ করে। সুলতান মাসুদের কাছে সে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। তার উদ্দেশ্যে তুর্কি জাতিকে পরাধীনতার শিকল থেকে মুক্তি করা। তার উদ্দেশ্য ইসলামের পতাকা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়া। লাল আপেল( ইস্তাম্বুল) শহর বিজয় করা। সুলতান মাসুদ তার পরিকল্পনা শুনে তাকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সুলতান মাসুদ বলেন তোমার চাওয়া ই আমার চাওয়া। তোমার অঙ্গীকার আমার অঙ্গীকার,ওসমান বে। ওসমান বে সামনে এগিয়ে যান

সুলতান আলাউদ্দিন রাতের অন্ধকারে ওসমান বের কাছে আসে। সুলতান আলাউদ্দিন জানতে চায় কেন সে তার বিরুদ্ধে প্রচারনা চালাচ্ছে। কেন সুলতান হিসাবে তার চাচাকে ক্ষমতায় বসাতে চায় ওসমান বে? এসব প্রশ্নের জবাবে ওসমান বে বলেন যে সে তুর্কিদের স্বাধীনতার জন্য এসব করছে। কোনভাবেই মঙ্গোলদের সামনে মাথানত করবে না সে। তাই সে সুলতান মাসুদ কে ক্ষমতায় বসাবে।

সুলতান আলাউদ্দিন ছিল তার মায়ের অধীন। আর তার মা ইসমিহান সর্বদা নাইমানের সাথে সন্ধি করে চলতো। এতে করে তুর্কিদের ভুমিতে রাজাত্ব চালাতো মঙ্গোলরা। আর এভাবেই কোনিয়া হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিল। সেলজুকদের পতনের পিছনে এই কারনটি ছিল অন্যতম।


সুলতান মাসুদ সিংহাসনে বসার পরে ওসমান বের ক্ষমতা আগের থেকে বৃদ্ধি পায়। তার সুনাম আরো ছড়িয়ে পড়ে, ইনেশিহার ও আশেপাশের এলাকার ব্যবসা বানিজ্যের প্রসার হয়। আগে থেকে কায়ী বসতির মাদুর ও হাতে তৈরি পোষাক প্রসিদ্ধ ছিল। ওসমান বের এখন তার দাওয়াহ প্রচার করা সহজ হবে। কারন সুলতান আলাউদ্দিন তাকে যেসকল অসহযোগীতা করছিলা সেটা এখন থাকবে না

সুলতান মাসুদ সিংহাসনে বসে ওসমান বেকে ১০০০সৈন্য পাঠায়। কিন্তু এই খবর ইসমিহান জানতে পারে। ইসমিহান নাইমান কে এই তথ্য দিলে সে ওই বাহিনীর উপর আক্রমণ করে। এদিকে টেকফুর ভ্যালেন্সের আক্রমনের প্রতিশোধ নিতে ওসমান বে ক্রোপ্রুহিসার দূর্গ জয় করে। খুব সামান্য পরিকল্পনা ও গোপন সুড়ঙ্গপথ দিয়ে প্রবেশ করে ওসমান বে খুব দ্রুত আক্রমণ করে বিজয় অর্জন

এই বিজয়ে এক দিকে যেমন ইসলামের বিজয় হলো অন্যদিকে টেকফুরের আক্রমণের জবাব দেওয়া হলো। আর এই বিজয়ের দৃশ্য দেখানোর মাধ্যমে এই পর্বের সমাপ্তি হয়।

Server-1

Server-2

Server-3

kurulus 130 bn by tokyvideo.com

Server-4

Telegram Link

Download now

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button