Header top
Alparslan Bangla

tv shows alparslan buyuk seljuk episode 17 bangla subtitles

watch Tv shows alparslan buyuk seljuk episode 17 bangla subtitles

ভলিউম ১৭ দেখতে নিচে যান

tv shows on  TRT The Rise of the Seljuks: From the Eurasian Steppe to the Gates of Cairo, c. 965–1092Contemporaries struggled to understand the Seljuk conquests. The Armenian historian Aristakes Lastiverttsi, writing in the 1070s of events some thirty years earlier, could comprehend their speed and savagery only as a sign of divine anger with his native land:[T]he gates of Heaven’s wrath opened upon our land.tv shows

Numerous troops moved forth from T‘urk‘astan [Turkestan], their horses were as fleet as eagles, with hooves as solid as rock. Well girded, their bows were taut, their arrows sharp, and the laces of their shoes were never untied . . . They sped like lions, and like lion cubs, they mercilessly threw the corpses of many people to the carnivorous beasts and birds . . . [God] poured His wrath down upon us by means of a foreign people, for we had sinned against Him.1For the settled Muslim population, the Turks were scarcely less alien or alarming. Contemporary intelligence reports from Khurasan quoted by the Ghaznavid historian Bayhaqi complain that the Seljuks and their nomadic followers, the Türkmen, ‘damage every place and people; they steal everything they find, and much evil comes from them’.2However, another Armenian chronicler, Matthew of Edessa (d. c. 1136) gives a very different impression of Seljuk campaigns under the third Seljuk sultan Malikshah in the 1070s: Malikshah . . . marched forth at the head of a formidable army composed of innumerable warriors. He came and entered the Roman empire in the West [i.e., Byzantium] in order to take over that region. This sultan’s heart was filled with benevolence, gentleness, and compassion for the Christians; watch tv shows alparslan buyuk seljuk episode 16 Bangla subtitlestv shows

tv shows alp arslan buyuk seljuk episode 17 bangla subtitles

Watch English Subtitle

he showed fatherly affection for all the inhabitants of the lands [he traversed] and so gained control of many towns and regions without resistance.3This perceived transformation of the Seljuks from a barbarous force of warriors into architects of a civilized empire is often associated with Malikshah’s great vizier, Nizam al- Mulk (d. 485/1092). As one contemporary put it, ‘he was the one who built the Seljuk state’,4 by introducing the norms of Perso- Islamic governance. watch tv shows alparslan buyuk seljuk episode 16 Bangla subtitles A different source, however, remarks of Tughrıl (d. 455/1063), that he was ‘the first of the Seljuk kings and the one who built their state’.5 Both characterizations have a measure of truth. It is perhaps not surprising that contemporaries were confused.tv shows

The sudden collapse of the existing empires in western Asia in the mid-to-late eleventh century – the Ghaznavids, Buyids, and Byzantines – before the Seljuks is not easily explained today, and the apparent suddenness of the transformation from war band to empire is as bewildering as the scale and rapidity of the conquests. By the middle of the eleventh century, something resembling a Seljuk state had emerged – a polity that struck coins, had some sort of a bureaucracy, and raised taxes, to use a fairly minimal definition. watch tv shows alparslan buyuk seljuk episode 16 bangla subtitles However, pace Matthew of Edessa, even under Malikshah it was still often the Türkmen rather than the sultans who spearheaded expansion, launching campaigns that reached far into Anatolia, Egypt, Arabia, and the Caucasus. Yet alongside this process of empire-building, tension was growing between some groups of nomads and the Seljuk sultans. The latter’s leadership was by no means accepted, even (or especially) by other members of the Seljuk family, who were often able to mobilize Türkmen’s support for their own claims.tv show

For the Seljuk sultans, these Türkmen- backed rebels represented a much more serious threat to their authority than any external threat. Understanding the empire’s formation is thus not merely a question of tracing the emergence of state institutions, but also of examining the fate of the force which had created the empire, the nomadic Turks themselves, whose political concepts remained rooted in the world of the steppe were not merely descent, but also personal charisma was required to establish a claim to leadership.6 We therefore must start with the steppe background from which these Turks emerged. watch tv shows alparslan buyuk seljuk episode 16 bangla subtitles.tv shows

The Oghuz and the Emergence of the SeljuksIn the sacred heart of the pre-Islamic Turkish world in Mongolia, an eighth-century inscription in Turkish runes provides our earliest references to the Oghuz (the Turkish form of Arabic and Persian ‘Ghuzz’).7 Bilge Qaghan, ruler of the Gök Türk Empire (552–774), which stretched from Manchuria to the Black Sea steppes, erected this monument to the memory of his younger brother Kül Tigin in 732. The inscription surveys the history of the Gök Türk Empire, which Bilge Qaghan and Kül Tigin had rescued from destruction at the hands of various enemies, both the Chinese and various Turkish groups, of whom the Oghuz are one.8 Yet Bilge Qaghan also refers to the Oghuz as ‘my own people, and they are one of the main groups to whom the inscription is addressed. watch tv shows alparslan buyuk Seljuk episode 16 Bangla subtitles.tv-shows watch now

Watch English Subtitle

These Oghuz played a prominent role in the fighting between various nomadic groups that accompanied the demise of the Gök Türks in the mid-eighth century. After this, we know very little about the Oghuz until they appear in Islamic sources of the ninth and tenth centuries in the west of the Eurasian steppe, around the Volga River. Writing at the court of Malikshah in the late eleventh century, the physician Sharaf al- Zaman Marwazi attempted to explain the origins of the dynasty’s ancestors. watch tv shows alparslan buyuk Seljuk episode 16 Bangla subtitles.

He traced the Oghuz migrations westwards back to the struggles for pasture among nomadic groups in Central Asia displaced by the new power of Liao, a nomadic dynasty from Manchuria, better known in Islamic history as the Qarakhitay,9 who were to play a crucial role in the destruction of the Great Seljuk Empire in the mid-twelfth century (pp. 103–6 below). The rise of the Liao/Qarakhitay did, indeed, have profound consequences for the steppe, but it is unlikely that they were behind the Oghuz. watch tv shows alparslan buyuk Seljuk episode 16 Bangla subtitles.DONT COPY OUR SUBTITLES AND CONTENT

Watch English Subtitle

ভলিউম ১৭ দেখতে নিচে যান

কে এই আতা বে খাজা নিজামুল মুলক?

সেলজুক সাম্রাজ্যের সবচেয়ে বড় স্তম্ভের ইতিকথা।

নিজামুল মুলক : রাজ্যের শৃঙ্খলা খাজা হাসান আল তুসী।
সেলজুক শাসকদের কাছে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার যথেষ্ট কদর ছিলাে। প্রচলিত রাজকীয় বর্ণাঢ়্য সাজে তাদের কোন রাজদরবার ছিলা না। এজন্য তারা চাটুকার দরবারীদের প্রয়ােজনীয়তা অনুভব করতাে না। যে কোন বিষয়ের ফয়সালা হতাে অনেক বিবেচনার পর। তাদের সফলতার কারণ ছিলাে এটাই।তুঘরিল বেগ ও চাগরী বে এক দেশেরই দুই রাজধানীর দুই সুলতান ছিলেন। চাগরী বে ছিলেন মারুতে।একদিন এক সদ্য যুবক তার সাক্ষাৎপ্রার্থী হয়ে এলাে। তার পােষাক বলে দিচ্ছিলাে সে কোন সাধারণ প্রার্থী নয়। তার চোখে মুখে সম্ত্রান্ত বংশের ঔজ্জ্বল্য ঝিলিক দিচ্ছিলাে।tv shows

আপনি কে-একথা জিজ্ঞেস করলে সুলতানকে কি বলবাে? আর আপনার সাক্ষাতের উদ্দেশ্যই বা কি?’ – সুলতানের মহলের দারােয়ান তাকে জিজ্ঞেস করলাে।আমার নাম খাজা হাসান তুসী। নিশাপুর থেকে এসেছি। আমি নিশাপুরের ইমাম মুওয়াফিকের ছাত্র। তার বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বেরিয়েছি। ফকীহ ও মুহাদ্দিস স্তর পর্যন্ত পড়েছি। সাক্ষাতের উদ্দেশ্য সুলতানকে বলবাে – সাক্ষাৎপ্রার্থী বললাে।দারােয়ানদের নির্দেশ দেয়া ছিলাে, দেশের কোন আলেম বা শিক্ষিত নাগরিক সুলতানের সাক্ষাৎপ্রার্থী হয়ে এলে তাকে যেন সাদরে গ্রহণ করা হয়। দারােয়ান তাই সুলতান চেগরা বেগকে গিয়ে জানালাে।tv shows

‘তাকে কি ফকীহ বা মুহাদ্দিস বলে মনে হয়? – সুলতান জিজ্ঞেস করলেন। হ্যা সুলতানে মুহতারাম! পরিমিতভাষী এবং আলেমদের পােষাকে সজ্জিত। চেহারাও বেশ অভিজাত।
তাহলে তাকে এতক্ষণ বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা তাে অভদ্রতা! এখনই তাকে পাঠিয়ে দাও। কিছুক্ষণ পর সুলতানের সামনে যে লোকটি সালাম দিয়ে দাঁড়ালাে তার নাম খাজা হাসান তুসী। সুলতান তাকে সসম্মানে বসালেন।tv shows

হে যুবক! আমি কি করে মেনে নেবাে তুমি ইমাম মুওয়াফিকের ছাত্র? আমি জানি ইমাম মুওয়াফিকের ছাত্র হওয়াটা কত বড় সম্মানের – সুলতান বললেন আমার কাছে তার সনদ আছে – হাসান তুসী কয়েকটি কাগজ সুলতানের হাতে দিয়ে বললেন – ‘আমি ফেকাহ ও হাদীস শাস্ত্র এবং অন্যান্য বিষয়েও তার কাছে থেকে গবেষণা করেছি।

তাহলে কি তােমার লেখাপড়ার পাঠ শেষ?না সুলতানে আলী মাকাম! আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি থেকে বের হয়েছি, শিক্ষার গণ্ডি থেকে এখনাে বের হইনি। জ্ঞানের তুলনা তাে সমুদ্রের অগাধ জলরাশির মতাে। মণিমুক্তা তার হাতেই শােভা পায় যে সাগরের তলদেশ থেকে ঝিনুকের খােল উদ্ধারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে।

সুলতান চেগরা বেগের চোখে প্রশংসার দৃষ্টি উজ্জ্বল হলাে।আমার দেখতে ইচ্ছে করছে তােমার বুদ্ধির ধার কতটুকু? কিতাব বা বই বিদ্যা দিতে পারে, বুদ্ধি নয়….. তুমি নিজেকে কতটুকু বুদ্ধিমান মনে করাে?’ – সুলতান জিজ্ঞেস করলেন।

‘মহামান্য সুলতান! মানুষ নিজেকে যতটুকু বুদ্ধিমান মনে করে সে ততটুকুই নির্বোধ এবং সে নিজেকে যত বড় মনে করে ততই সে ছােট। কে বুদ্ধিমান আর কে নির্বোধ এই ফয়সালা ক’জনই বা করতে পারে।আচ্ছা তুসী! একটা কথার জবাব দাও। কোন শাসক যদি চায় সে প্রজাদের মধ্যে জনপ্রিয় হবে এবং মৃত্যুর পর প্রজারা তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে তাহলে তার কি গুণ আর মানসিকতা থাকা উচিত?- সুলতান আশ্বস্ত গলায় জিজ্ঞেস করলেন।

সে তার ধর্ম ও দেশের জন্য হবে অগ্নিঝড়। প্রজাসাধারণের জন্য হবে শীতল পানি, হবে উর্বর মাটির মতাে স্বচ্ছন্দ, আকাশের বিশালতার মতাে উদার, ঈগলের মতাে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিধারী, কাকের মত সদা সতর্ক, কোকিলের মতাে মিষ্টভাষী, বাঘের মতাে নির্ভীক এবং চাঁদ তারার মতাে বিশুদ্ধ পথনির্দেশক। এমন নয় যে, আজ এদিকে কাল ওদিকে উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়’ – হাসান তুসী বললেন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে।এসব কি আমার মধ্যে আছে?’ – সুলতান কিছুটা আড়ষ্ট হয়ে জিজ্ঞেস করলেন।tv shows

আমি যদি বলি হ্যা, তাহলে এটা তােষামােদি হবে!! তােষামােদি আর মুনাফিকী এক জিনিস। আমি মুনাফিক হতে চাই না। আর যদি বলি সুলতানের মধ্যে এসব গুণের কমতি আছে তাহলে অসন্তোষের পাত্র হবাে। কারাে অসন্তোষের পাত্র হওয়া আমার কাম্য নয়। – হাসান তুসী বললেন।’হে যুবক!’ – সুলতান বললেন- ‘তােমার স্পষ্টভাষিতা সত্যিই প্রশংসার যােগ্য। কিন্তু একটা কথা বলাে… যদি এসব গুণের দু’একটি আমাদের মধ্যে না থাকে তাহলে কি খুব ক্ষতি হয়ে যাবে?মহামান্য সুলতান। তসবীহতে সাধারণত দানা থাকে একশটি আর গ্রন্থি থাকে একটি। যদি এই একটি মাত্র গ্রন্থি খুলে যায় তাহলে তসবীহর সবগুলাে দানাই বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে। হতে পারে আপনার সেই গুণটি বা এর স্থলের তুটিটি আপনার গুণ-গাঁথার মূল্যায়ন রাখে। এর কারণে যে কোন সময় আপনার অর্জিত গুণ-গাঁথার গ্রন্থির দানাগুলাে বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে।tv shows

ভলিউম ১৭ 



Related Articles


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button